• ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bihar Election Result

দেশ

চেয়ারের লড়াই শুরু! চিরাগের উপমুখ্যমন্ত্রিত্বের দাবি নিয়ে BJP-তে চাপ

বিহার ভোটের ফল বেরোনোর পরই যেন বদলে গেল পুরো রাজনৈতিক সমীকরণ। প্রচার পর্বের শেষদিনেই চিরাগ পাসওয়ান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছিলেন, তিনি চান উপমুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার। অনেকেই ভেবেছিলেন, এটা হয়তো নির্বাচনী বক্তব্যের আবেগ। কিন্তু ফল বেরোতেই দেখা গেল, ছোট দল নিয়েও তিনি বড় কাজ করে ফেলেছেন। এলজেপি মাত্র ২৯টি আসনে লড়েই দখল করেছে ১৯টিযা বিহারের ক্ষমতার অঙ্কে বড় ভূমিকা রাখার মতো সাফল্য।এত বড় ফলের পর চিরাগ যে নিজের দাবি আরও জোরে তুলবেন, তা আগেভাগেই অনুমান ছিল। সেই দাবির পথেই যেন হাঁটা শুরু করে দিলেন তিনি। শনিবার বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন চিরাগ। রাজনৈতিক মহলে এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ যে নীতীশের বিরুদ্ধে ২০২০ সালে তিনি সরাসরি বিদ্রোহ ঘোষণা করে এনডিএ ছেড়ে দিয়েছিলেন, সেই নীতীশের সঙ্গেই এখন উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠছে।২০২০ সালের ভোটে এলজেপি ১৩০ আসনে লড়েও মাত্র ১টিতে জয় পেয়েছিল। কিন্তু সেই ভোট কাটাকাটিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় জেডিইউ। সেই সময় থেকেই নীতীশচিরাগ সম্পর্কের তিক্ততা চরমে ওঠে। কিন্তু ২০২৫এর আগে বিজেপি ফের চিরাগকে এনডিএতে ফিরিয়ে আনে এবং নীতীশের সঙ্গেও দূরত্ব কমায়। এবার সেই ঘনিষ্ঠতা বিজেপির জন্য নতুন মাথাব্যথা তৈরি করে দিতে পারে।সাক্ষাতের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসিমুখে ছবি পোস্ট করেছেন চিরাগ। সঙ্গে লিখেছেন, আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। এলজেপির প্রার্থীদের প্রতি তাঁর সমর্থন প্রশংসনীয়। রাজনৈতিক মহল বলছে, চিরাগের প্রশংসার লক্ষ্য BJPর দিকে স্পষ্ট বার্তানীতীশকেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে চান। আর তার সঙ্গে তাঁর নিজের দাবিও জোরদার হবেউপমুখ্যমন্ত্রীর পদ চাই তাঁর দলে।বিহারের বিদায়ী মন্ত্রিসভায় দুই ডেপুটি সিএমই বিজেপির। কিন্তু যদি চিরাগ সরাসরি উপমুখ্যমন্ত্রিত্ব দাবি করেন, তবে BJPর পক্ষে সেই দুই চেয়ার ধরে রাখা কঠিন হবে। আবার চিরাগকে রাগানোও ঝুঁকির। কারণ ভবিষ্যতে যদি BJP আর JDUর মধ্যে কোনও টানাপোড়েন দেখা দেয়, তখন ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে চিরাগই হয়ে উঠতে পারেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুখ।বিহার রাজনীতির অঙ্ক তাই আবারও বদলের ইঙ্গিত দিচ্ছেআর তার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন রামবিলাস পাসওয়ানের উত্তরাধিকারী, যুবা বিহারী চিরাগ পাসওয়ান।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

নকশাল-অধ্যুষিত অঞ্চলে রেকর্ড ভোট—কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?

বিহার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ যখন তুঙ্গে, তখন বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরব হয়ে সোজাসুজি ভরসা দিলেন কমিশনকে। বিশেষত ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা (SIR) নিয়ে যে আপত্তি উঠেছিল, সেই ইস্যুতে তিনি বললেনভোটাররা, বিশেষ করে যুবসমাজ, ভোটার তালিকা বিশুদ্ধকরণকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখে। তাঁর কথায়, পরিষ্কার ভোটার তালিকা গণতন্ত্রের মূল ভিত, তাই সব রাজনৈতিক দলকেই বুথ স্তরে ভোটার তালিকা যাচাইয়ে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া উচিত।বিহার বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কমিশন অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে নির্বাচন পরিচালনা করেছে এবং বিরোধীদের তোলা অভিযোগের কোনও ভিত্তিই নেই। তিনি দাবি করেন, যে সব অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে, তা মানুষের বিশ্বাস নষ্ট করার চেষ্টা। মোদীর মতে, যুবসমাজ এখন অনেক বেশি সচেতনতালিকা থেকে নকল নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করাকে তারা গুরুত্বের চোখে দেখে, তাই এই পরিশোধন প্রক্রিয়া অনিবার্য।বক্তৃতায় আরজেডিকে সরাসরি নিশানা করেন মোদী। তিনি বলেন, জঙ্গল রাজ এবং কট্টা সরকার-এর কথা আগে কেউ চ্যালেঞ্জ করত না, কিন্তু এখন সময় বদলে গিয়েছে। তাঁর স্পষ্ট ঘোষণাকট্টা সরকার কখনও ফেরার নয়। এই বক্তব্যে মোদী জানিয়ে দেন যে পুরনো অভিশাপের দিন শেষ, এবং মানুষ এখন উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা ও স্বচ্ছ রাজনীতি চায়।বিহারের রায়কে গণতন্ত্রের বড় জয় বলে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেসব এলাকা আগে নকশাল-প্রভাবিত ছিল বা উপেক্ষিত ছিল, সেখানকার ভোটারদের রেকর্ড উপস্থিতি গণতন্ত্রের শক্তিকে আরও দৃঢ় করেছে। এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে মানুষ এখন ভোটব্যবস্থাকে বিশ্বাস করে, এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নিজের মত প্রকাশ করতে আগ্রহী।মোদীর মতে, এই ফলাফল শুধু কোনও এক দলের জয় নয়, বরং মানুষের আস্থার জয়, এবং পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিলবিহার উন্নয়ন ও পরিবর্তনের পক্ষে দাঁড়িয়েছে।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

SIR-এ ঝড়! বিহারের ভোটে হাওয়া বদলে দিল তিন অক্ষরের শব্দ—বাংলায় কি নিশ্চিত ভূমিকম্প?

বিহারের ভোটে সবচেয়ে বেশি যেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা হল SIRস্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন। তিন অক্ষরের এই শব্দই সাম্প্রতিক রাজনীতিতে ঝড় তুলেছিল। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছিল, সরকার নাকি ভোটার তালিকা কাটাছাঁট করে বিরোধী ভোট সাফ করার চেষ্টা করছে। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে দেশের রাজনীতিতে এত বিতর্ক প্রায় কখনও হয়নি। আজ যখন বিহারের রায় স্পষ্টনীতীশ কুমার ও NDA-র জয়জয়কারস্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এই SIR ইস্যু ভোটে কতটা প্রভাব ফেলল?এই প্রশ্ন গুরুত্ব পাচ্ছে আরও একটি কারণে২০২৬ সালে বাংলার ভোট। বাংলাতেও চলছে SIR প্রক্রিয়া। ফলে বিহারের ফলাফলের পর SIR ঘিরে নতুন করে আলোচনা জোরদার হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখানে Popular Sovereignty, অর্থাৎ শেষ কথা বলছেন জনতাই। বিরোধীরা যতই ন্যারেটিভ তৈরি করুক, জনতার মন যে কোন দিকে ঘুরে গিয়েছে, সেটা ঠিকমতো বুঝতে পারেনি তারা। SIR ইস্যুকেই তারা রাজনৈতিক Bandwagon Effect হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল, কিন্তু শেষমেষ হাওয়া যেন উলটেই গেল।বিগত ২৪ জুন নির্বাচন কমিশন SIR-এর নোটিফিকেশন জারি করে। মৃত, ভুয়ো এবং অনুপস্থিত ভোটার বাদ দেওয়াই ছিল লক্ষ্য। ২৫ জুন থেকে শুরু হয় ফর্ম ফিলআপ। ১ অগাস্ট বেরোয় খসড়া তালিকা। এরপর দাবি-আপত্তির শুনানি। ৩০ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয় চূড়ান্ত ভোটার লিস্ট। কিন্তু এই প্রক্রিয়া ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই বিরোধীরা তেড়ে আসে। আরজেডি, কংগ্রেস, বামসবাই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে বিরোধীরা সরাসরি বিজেপির দালাল বলে কটাক্ষ করে।সবচেয়ে জোরালো ছিলেন তেজস্বী যাদব। তাঁর দাবি, SIR করে বিরোধীদের ভোট কেটে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এমনকি তিনি অভিযোগ করেনখসড়া ভোটার তালিকায় নাকি তাঁর নিজের নামই নেই। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এই সুরে সুর মিলিয়ে বলেনSIR হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক ভোটচুরি এবং নির্বাচন কমিশন নাকি বিজেপির হয়ে কাজ করছে।কিন্তু এই সব অভিযোগকে পাত্তা দেয়নি বিজেপি বা নীতীশ কুমারের দল। তাদের বক্তব্য, SIR চলছে বহু বছর ধরে, ভুয়ো ভোটার বাদ দেওয়ার এটাই সঠিক উপায়। বিজেপির প্রেম শুক্লা কটাক্ষ করে বলেন, SIR নিয়ে কংগ্রেস যত কথা বলেছে, তার ফলেই তারা এখন ১টা সিটে এসে দাঁড়িয়েছে।শেষ পর্যন্ত দেখাই গেলবিহারের ভোটাররা বিরোধীদের অভিযোগ মানল না। তারা SIR নিয়ে শঙ্কা উড়িয়ে NDA-র সঙ্গেই দাঁড়াল। NDA ২০০টিরও বেশি আসনে এগিয়ে গেল। SIR ইস্যু নিয়ে যে রাজনীতি হয়েছিল, তার প্রভাব ভোটে খুব একটা টের পাওয়া গেল না।বাংলাতেও এখন SIR নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক তর্ক। BLO-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম দিচ্ছেন, ভোটার যাচাই করছেন। কিন্তু তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছেএই প্রক্রিয়ায় নাকি অসংখ্য সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাবে। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থী, মতুয়া, রাজবংশীএই ভোটব্যাঙ্ককে লক্ষ্য করে বিজেপি নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাম কেটে দেবে।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি আক্রমণ করেন নির্বাচন কমিশন ও জ্ঞানেশ কুমারকে। বিজেপিকেও এক হাত নেন। তাঁর দাবি, SIR হচ্ছে বিজেপির সুবিধা করার অপারেশন, যেখানে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার বিপন্ন। অখিলেশ যাদবও মমতার সুরে সুর মিলিয়ে বলেন, বিহারে যে খেলা SIR নিয়ে হয়েছে, তা বাংলায় বা উত্তরপ্রদেশে চলবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দেনএবার আমরাও খেলব।অন্যদিকে বিজেপি দাবি করছেSIR-এ ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আগেও হয়েছে। ভুয়ো, মৃত বা অন্য রাজ্যে চলে যাওয়া ভোটারদের নাম কাটলেই স্বাভাবিক তালিকা তৈরি হবে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবিবাংলায় প্রায় ১ কোটি ভুয়ো/অবৈধ ভোট রয়েছে। এগুলো বাদ পড়লে তৃণমূলের ভোট মার্জিন কমবে। এমনকি বিজেপির দাবিSIR শুরু হওয়ার পরই অনেক অবৈধ ভোটার নাকি এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছে।তাহলে বিহারের মতো বাংলাতেও কি SIR-এ বদলে যাবে সমীকরণ? রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মত কিন্তু বিভক্ত। একাংশ বলছেবিহারের সঙ্গে বাংলার পরিস্থিতি এক নয়, তৃণমূলের সংগঠনের শক্তি বিশাল। আবার অন্য পক্ষের মতেবিজেপি ও তৃণমূলের ভোটের তফাৎ মাত্র ৪-৫ শতাংশ। SIR-এর কারণে ভোটার তালিকা পরিষ্কার হলে গেরুয়া শিবিরই লাভবান হতে পারে।শেষ পর্যন্ত কোন ভবিষ্যৎ ঘটবে তা জানতে হলে ২০২৬ পর্যন্ত অপেক্ষা ছাড়া পথ নেই। তবে বিহারের ছবিটা স্পষ্টমহাগঠবন্ধনকে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে নীতীশ কুমার ও NDA-ই এগিয়ে ২০৮টি আসনে, আর বিরোধীরা মাত্র ২৮টিতে। বিশাল ব্যবধানে NDA-র রিটার্ন।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
দেশ

বিহারের ভোটে লালু পরিবারের ‘ডাবল শক’—তেজস্বী ও তেজপ্রতাপ দু’জনেই সংকটে

রাঘোপুরযে আসনকে একসময় বলা হতো লালু-রাজের অটুট দুর্গ। যেখানে জিতেছেন লালু প্রসাদ যাদব, জিতেছেন তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবী, এমনকি লড়াইয়ে জিতে গিয়েছিলেন পুত্র তেজস্বী যাদবও। কিন্তু সেই লালু-দুর্গেই এবার বদলে গেল হাওয়া। সকাল থেকে শক্ত হাতে লড়াই ধরে রাখলেও তৃতীয় রাউন্ডের গণনায় দেখা গেল, পিছিয়ে পড়েছেন তেজস্বী। তাঁকে ১,২৭৩ ভোটে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী সতীশ কুমার।গঙ্গা ঘেরা বৈশালীর রাঘোপুর বরাবরই আরজেডির অটোমেটিক জয়-এর আসন। ২০১৫ সাল থেকে নিয়মিত এখানে লড়ছেন তেজস্বী। আগের নির্বাচনে ৩৮ হাজার ভোটে জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু এবার সেই দৃশ্য আর দেখা যাচ্ছে না। অদ্ভুতভাবে আবারও সামনে চলে এসেছে ২০১০সেই বছরই একই সতীশ যাদব রাবড়ি দেবীকে হারিয়ে দিয়েছিলেন। এবার কি সেই ইতিহাসই তেজস্বীর বিরুদ্ধে ফিরছে? উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি, কিন্তু রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে।আরজেডির সঙ্কট শুধু তেজস্বীকে ঘিরে নয়। বিপদে তেজপ্রতাপ যাদবও। প্রণয়ঘটিত বিতর্কের জেরে তাঁকে সম্প্রতি বহিষ্কার করেছে বাবা লালু প্রসাদ যাদবই। বাড়ি থেকেও বের করে দেওয়া হয়। দলছাড়া হয়ে তেজপ্রতাপ নিজেই গড়েন নতুন দলজনশক্তি জনতা দল। মহুয়া কেন্দ্র থেকে লড়াইয়ে নামলেও সেখানেই সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তৃতীয় রাউন্ডের গণনায় দেখা যাচ্ছে, এলজেপির প্রার্থী সঞ্জয় কুমার সিংয়ের কাছে তিনি পিছিয়ে আছেন প্রায় ১০ হাজার ভোটে। একসময় রাজনীতির রাজপুত্র বলা হলেও বিহারের হাই ভোল্টেজ ভোটে তেজপ্রতাপ এখন যেন লাস্ট বেঞ্চার।লালু পরিবারের দুই রাজনৈতিক উত্তরাধিকারীর এই টালমাটাল অবস্থায় প্রশ্ন উঠছেআরজেডির ক্ষমতার দুর্গ কি তবে সত্যিই ভেঙে পড়ছে? রাঘোপুরের মাটি কি হাতছাড়া হচ্ছে লালু পরিবারের?

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
দেশ

বিহার ভোটে কেন হারল আরজেডি? নীতীশের এক ঘোষণাতেই খেলা ঘুরল

বিহারের ভোটে মোদী ম্যাজিকের চেয়ে বড় হয়ে দেখা দিল এনডিএ-র সম্মিলিত ম্যাজিক। গণনা শুরু হওয়ার পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে গেলবিহারে ফের এনডিএ-র সরকার। নীতীশ কুমারের অভিজ্ঞ হাত, সঙ্গে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের উন্নয়ন ও প্রতিশ্রুতির জুটিএই দুই ফ্যাক্টরই ভোটারদের মন জিতে নিয়েছে। উন্নয়নের স্রোতে গা ভাসিয়ে বিহার এবার নতুন অধ্যায়ে ঢুকতে চলেছে। কিন্তু কীভাবে এত বিপুল সমর্থন পেল এনডিএ? কোন কোন প্রতিশ্রুতি আসলে ভোটের ছবি পুরো বদলে দিল?সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলেছে নীতীশ কুমারের মহিলাদের জন্য ঘোষণা করা আর্থিক প্যাকেজ। রাজ্যের প্রায় ১.৩ কোটি মহিলার অ্যাকাউন্টে সরাসরি ১০ হাজার টাকা ঢুকে যাওয়ায় মহিলাদের ভোটে রেকর্ড ভিড় দেখা গেছে। এই নির্বাচনে ৭১ শতাংশেরও বেশি মহিলা ভোট দিয়েছেনযা বিহারের ইতিহাসে নজিরবিহীন। তেজস্বী যাদব যদিও ২৫০০ টাকার স্কিম ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু নীতীশের দশ হাজার টাকার প্রতিশ্রুতি এবং বাস্তবায়নেই বাজিমাৎ।আলাদা করে প্রভাব ফেলেছে ফ্রি বিদ্যুতের ঘোষণা। ১২৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিনামূল্যে পাওয়ার সিদ্ধান্ত বিহারের গ্রামের, বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে বিশাল স্বস্তি এনে দিয়েছে। বহু পরিবার যেখানে প্রতিদিন অর্ধ অন্ধকারে দিন কাটাত, সেখানে এই সুবিধাই ভোটের অন্যতম বড় চালক।আরও বড় গেম চেঞ্জারপেনশন। বিহারের প্রায় ১.২ কোটি প্রবীণ নাগরিকের পেনশন ৪০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১০০ টাকা করার সিদ্ধান্ত এনডিএ-কে প্রবল বাড়তি সুবিধা দিয়েছে। বহু প্রবীণ ভোটার জানিয়ে দিয়েছেন, এই এক প্রতিশ্রুতি তাঁদের জীবনে বড় বদল আনে। নীতীশকেও এই স্কিম জনদরদী নেতার ভাবমূর্তিতে আরও শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে। বেকারত্ব, ক্ষোভসব ছাপিয়ে ভোটগণনায় এই স্কিমগুলিই শেষ কথা বলেছে।প্রচারের ময়দানে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁরা উন্নয়নের পরিসংখ্যানের পাশাপাশি বারবার তুলে ধরেছেন আরজেডির আমলের জঙ্গলরাজ। জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখে কাট্টা শব্দও শোনা গেছে, যা বিহারের পুরনো ভয়কে মনে করিয়ে দিয়েছে বহু ভোটারের। ফলত, ভয় ও উন্নয়নদুই মিশ্রণেই ভোটারদের বড় অংশ এনডিএ-র দিকে ঝুঁকেছে।সব মিলিয়ে উন্নয়ন, আর্থিক সাহায্য, সরকারি স্কিম এবং বিরোধীদের প্রতি অবিশ্বাসএই চার স্তম্ভই এনডিএ-র বিপুল জয়ের ভিত্তি হয়ে উঠেছে।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
কলকাতা

বিহারের ফল বাংলায় প্রভাব ফেলবে? কুণাল ঘোষের মন্তব্যে নতুন করে বিতর্ক

আর মাত্র কয়েক মাস পরে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। ঠিক সেই সময়েই বিহারে এনডিএ-র বিপুল আসনজয় বাংলার রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিজেপি শিবিরে এখন একটা কথাই ঘুরপাক খাচ্ছেবিহার পারলে বাংলা-ও পারবে। বিহারের জয়ের পর থেকেই গেরুয়া শিবিরের বহু নেতা প্রকাশ্যে দাবি করছেন, এবার পালা বাংলার।এই উচ্ছ্বাসের পাল্টা জবাব দিতে বেশি সময় নিলেন না তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্যবাংলার মাটি আলাদা, বাংলার ভোটের চরিত্রও আলাদা। বিহারের ফল বাংলায় কপি-পেস্ট হবে না। রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় এসেছে আরেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া। বিহারে SIR শেষ হওয়ার পরই ভোটগ্রহণ হয়েছে। বাংলাতেও ইতিমধ্যে SIR শুরু হয়ে গিয়েছে, আর সে কারণেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রক্রিয়া শেষ হলেই নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিজেপি নেতা অর্জুন সিং অবশ্য দাবি করেছেন, বাংলায় SIR-এর প্রভাব বিজেপির পক্ষে যাবে।কিন্তু কুণাল ঘোষ এই দাবিকে সরাসরি নস্যাৎ করেছেন। বিহারের প্রাথমিক গণনা চলাকালীনই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখে দেনবিহারের ভোট বাংলায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। তাঁর দাবি, বাংলার মানুষের কাছে উন্নয়ন, ঐক্য, সম্প্রীতি, অধিকার, আত্মসম্মানএই সবই সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আবারও আড়াইশোর বেশি আসন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হবেন বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।কুণালের অভিযোগ, বাংলায় SIR এবং তার সঙ্গে জড়িত নানা প্রক্রিয়ায় বিজেপি ও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে চক্রান্ত হতে পারে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি ও ক্ষমতার অপব্যবহারও হতে পারে বলে তাঁর আশঙ্কা। তবে তৃণমূল যে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাবে এবং মানুষের সঙ্গে সংযোগ বাড়িয়ে BJP-র সব ষড়যন্ত্র ভেস্তে দেবে, সেকথা তিনি বারবার উল্লেখ করেছেন।এ প্রসঙ্গে কংগ্রেসকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কুণাল। তাঁর বক্তব্য, কংগ্রেস যে বিজেপি বিরোধীতায় সম্পূর্ণ ব্যর্থবিহারের ফল আরও একবার তা প্রমাণ করে দিল।বিজেপির হুমকিকে তিনি কড়া সুরে এদিন আক্রমণ করেছেন। বলেন, বিহার দেখিয়ে বাংলাকে হুমকি দেওয়ার কোনো মানে নেই। বাংলার মানুষের আত্মসম্মান ও অধিকারকে আঘাত করে অন্য রাজ্যের উদাহরণ দেখালে ভোট পাওয়া যায় না। বাংলায় বছরজুড়ে একটাই নামমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর উন্নয়ন-মডেল অনুসরণ করছে বহু রাজ্য। তাই বাংলার মানুষও সার্বিক স্বার্থেই তৃণমূলকে সমর্থন করে, ভবিষ্যতেও করবে। শেষেই বিজেপিকে কটাক্ষ করে কুণাল বলেনবাংলার সঙ্গে বিহারের কষ্টকল্পিত তুলনা করে সময় নষ্ট করবেন না।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
দেশ

বিহারের জয়ের পর বাংলায় উল্লাস—পরিবর্তনের বার্তা কি আরও জোরালো?

বিহার নির্বাচনে এনডিএ-র বিপুল জয়ের পর বদলে গিয়েছে রাজনৈতিক সমীকরণ। মহাগাঁটবন্ধন কার্যত আইসিইউ-তে, আর সেই জয়যাত্রার রেশ এবার ছুঁয়ে গেল ভোটমুখী বাংলাকেও। হাওড়া ব্রিজ থেকে হুগলি, নদিয়া থেকে উত্তরবঙ্গবাংলাজুড়ে পদ্ম শিবিরের উচ্ছ্বাস যেন থামছেই না। হাওড়া ব্রিজের ওপর গেরুয়া আবির উড়ে উঠল, বাজনার তালে নাচলেন বিজেপি কর্মীরা। স্থানীয়দের মিষ্টিমুখ করিয়ে বিজয়োল্লাসে মাতল হাওড়া জেলা। শোনা গেল একের পর এক জয়ধ্বনিমোদি, মোদি।উত্তরবঙ্গে উৎসব আরও উচ্ছ্বাসমুখর। জলপাইগুড়ি জেলা কার্যালয়ে ঢাক বাজিয়ে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষকে লাড্ডু খাইয়ে বিজেপি কর্মীরা খেললেন অকাল হোলি। পুরো এলাকা গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে উঠল। সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখগুলোও আজ আনন্দে মেতে উঠলেন। গেরুয়া আবিরে ভিজে গিয়ে তাঁরা সাফ জানিয়ে দিলেনবিহারের পর এবার বাংলার পালা, পরিবর্তন আর বেশি দূরে নয়।ফরাক্কার এনটিপিসি মোড়েও শুক্রবার দুপুরে বাজি ফাটিয়ে আবির খেললেন কর্মীরা। স্লোগানে গর্জে উঠলবিহার দেখিয়েছে, বাংলা দেখবে। নদিয়ার রানাঘাটে ঢাকের তালে তালে নেচে বিজয়োল্লাস করলেন সাংসদ জগন্নাথ সরকার। এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিজেপির কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হল লাড্ডু।হুগলির শেওড়াফুলি থেকেও উঠল উল্লাসের ঝড়। বিজেপি কর্মীরা আবির ছড়িয়ে মানুষকে মিষ্টি বিলি করলেন, হাতে তখন বিহার পারল, বাংলাও পারবে লেখা পোস্টার। সিঙ্গুরের বুড়া শান্তি এলাকাতেও দেখা গেল একই ছবিদলীয় কার্যালয়ের সামনে পথচলতি মানুষকে লাড্ডু বিলি করে বিজেপি কর্মীদের একটাই দাবিবিহারের জয় বাংলা নির্বাচনে আগাম ইঙ্গিত।বিহারে এনডিএ-র অভাবনীয় জয়ের ঢেউ এখন বাংলায় গেরুয়া শিবিরকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। তাঁদের দাবিসময় মাত্র, বাংলাতেও গেরুয়া ঢেউ আসবেই।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
দেশ

চূড়ান্ত ফ্লপ! বিহারে কেন মুখ থুবড়ে পড়ল প্রশান্ত কিশোরের ভবিষ্যদ্বাণী?

২০২০ সালের ডিসেম্বরেও প্রশান্ত কিশোর ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেনবাংলায় বিজেপি একশো আসন ছুঁতে পারবে না। সেই ভবিষ্যদ্বাণী মিলেও গিয়েছিল। কিন্তু পাঁচ বছর পর বিহার নির্বাচনে তাঁর কথামতো কিছুই ঘটল না। উল্টে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী এমনভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে যে রাজনৈতিক মহলে এখন সেটাই বড় আলোচ্য। ভোটের আগে প্রশান্ত বলেছিলেন, জেডিইউ পঁচিশের বেশি আসন পাবে না, নীতীশ কুমার আর মুখ্যমন্ত্রী হবেন না। একটিও মিলল না। বরং স্পষ্ট হয়ে গেলবিহারের রাজনৈতিক ময়দানে তাঁর দল জন সুরাজ পার্টির প্রভাব কার্যত শূন্য। শুধু নিজের জিত নয়, অন্য দলের ভোট কেটে ফেলার মতো শক্তিতেও পৌঁছতে পারেনি তাঁর দল। ভোটকুশলী হিসাবে তিনি যত সফল, রাজনীতিতে সরাসরি নেমে যেন হয়েছেন জলহীন মাছ।প্রশান্ত কিশোর রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন একেবারে কর্পোরেট সাজে। সারা দেশে ভোটকুশলী হিসাবে সাফল্যের ছাপ, মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখা, বিহারে তিন বছরের পদযাত্রা, বিশাল তাবড় তাবড় সভাসব মিলিয়ে শুরুটা ধুমধাম করেই হয়েছিল। কর্পোরেট ধাঁচে দল ঘোষণা, কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে প্রচার, ভিনরাজ্যের পরিযায়ী বিহারীদের আলাদা করে টিম বানিয়ে প্রচারের কৌশলসবই ছিল যথেষ্ট চমকপ্রদ। আর তার সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ার তুমুল প্রচার।কিন্তু এনডিএ বনাম মহাজোটের পুরনো লড়াইয়ের মাঝখানে তৃতীয় শক্তি হয়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত স্বপ্নই থেকে গেল। প্রশান্তর জন সুরাজ পার্টি নতুন রাজনীতি, নতুন ভোর, জাতপাতের ঊর্ধ্বে উঠাএসবই বলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু রাজনীতির বাস্তব মঞ্চে সেই ঝলক দেখা গেল না। সংবাদমাধ্যমে মাঝে মাঝে ইন্টারভিউ, নানা বড় দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচইএসব যথেষ্ট ছিল না। বিহারের মতো রাজ্যে শুধু কর্পোরেট প্রচারে রাজনীতি হয় না, সেটা তিনি হয়তো বোঝেননি। বঙ্গে সিপিএম যে ভুল করেছিলমাটির মানুষের কাছে না গিয়ে শুধু সোশ্যাল মিডিয়ানির্ভর প্রচারেপ্রশান্ত সেই ভুলই যেন আরও বড় পরিসরে করলেন।এবং ভুল এখানেই শেষ নয়। একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত তাঁর বিপরীতেই গিয়েছে। প্রথমে ঘোষণা করেছিলেনদুর্নীতিতে অভিযুক্ত কাউকে নেবেন না, অন্য দলের কাউকে আনবেন না, দলের প্রথম সভাপতি হবেন দলিত সম্প্রদায়ের। কোনও প্রতিশ্রুতিই শেষ পর্যন্ত পালন করলেন না। আর সবচেয়ে বড় ধাক্কাতিনি নিজে ভোটে লড়লেনই না। যিনি নন্দীগ্রামের মতো কঠিন আসনে মুখ্যমন্ত্রীকে লড়াইয়ের পরামর্শ দেন, যিনি সবসময় বলেন শীর্ষনেতাদের উচিত নিজেরাই ভোটে নামাসেই প্রশান্ত কিশোরই এবার নিজের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম করলেন। কেন? তার উত্তর একমাত্র তিনিই জানেন। কিন্তু তাঁর এই সিদ্ধান্তই দলকে সম্ভাব্য যে সামান্য জয়ের সুযোগ ছিল, তাও কেড়ে নিয়েছেএটা ভোটের ফলেই স্পষ্ট।বিহারের রাজনীতিতে শুধু ভাবনা বা কৌশল যথেষ্ট নয়এখানে প্রয়োজন জাতপাতের গভীর সমীকরণ, গ্রামীণ স্তরের সংগঠন, এবং শক্তিশালী দলীয় কাঠামো। এগুলো গড়ে তুলতে সময় লাগে। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখানো বা কর্পোরেট স্টাইলে প্রচার বিহারের মতো বাস্তব রাজনীতির মাটিতে টেকে না। তিন বছর সময় নিয়ে পুরো রাজ্যজুড়ে একটি রাজনৈতিক দল দাঁড় করানো যায় না। ভুলে গেলে চলবে নালালুপ্রসাদ যাদব ক্ষমতায় ওঠার আগে বহু বছর ধরে লড়ে গেছেন। নীতীশ কুমার প্রথম দুই নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পরও ভেঙে পড়েননি।এখন প্রশ্নপ্রশান্ত কিশোর কি এ পরাজয়ে হতাশ হবেন? নাকি বিহার বদলাও স্লোগান নিয়ে আরও গভীরে নামবেন মানুষের মাঝে? আগামী দিনেই জানা যাবেএই ব্যর্থতা তাঁর রাজনৈতিক যাত্রার শেষ, নাকি নতুন শুরুর পাথেয়।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
দেশ

২০ আসনে এগিয়ে যুবনেতা—তেজস্বীর সামনে কি নতুন চ্যালেঞ্জ চিরাগ?

বিহারের রাজনীতিতে একসময় প্রশ্ন উঠেছিলবাবা রামবিলাস পাসওয়ানের মতো বিশাল মাপের নেতা হতে পারবেন কি তাঁর ছেলে চিরাগ পাসওয়ান? রাজনৈতিক মহলের কটাক্ষ, সন্দেহ আর নানান সমালোচনার মুখে বহুবার কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সমস্ত সমালোচনাই মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিলেন তরুণ তুর্কি। বাবার নাম, বাবার শক্ত জমি, আর নিজের পরিশ্রমসব মিলিয়ে চিরাগের রাজনৈতিক উত্থান আজ আলোচনার কেন্দ্রে। ভোটের মাঠে তাঁর স্ট্রাইক রেট এখন ৭০ শতাংশের কাছাকাছি। ২৯টি আসনে লড়াই করে ২০টিতেই এগিয়ে তাঁর লোক জনশক্তি পার্টি।তবে এই সাফল্যের পিছনে পথ মোটেই সহজ ছিল না। ২০২০ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এককভাবে লড়াই করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল এলজেপি। ১৩০টি আসনে প্রার্থী দিলেও ফল আসে হাতে গোনা একটিতে। যদিও বেশ কিছু আসনে ভোট কেটে জেডিইউর ক্ষতি করেছিল চিরাগের দল, তবু সেই ফলেই প্রশ্ন উঠেছিলচিরাগ আদৌ কি রামবিলাসের যোগ্য উত্তরসূরি? পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে যখন পাঁচ বছর আগে রামবিলাসের ভাই পশুপতি কুমার পারস দল ভাঙিয়ে আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করেন। সেই ভাঙনে চিরাগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ একসময় টলমল করে উঠেছিল।কিন্তু চিরাগ হাল ছাড়েননি। নিজেকে তিনি গর্ব করে বলেন যুব বিহারী। বাবার তৈরি দলিত ভোটব্যাঙ্ককেই শক্ত ভিত্তি বানিয়ে আবারও নতুন করে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কঠোর পরিশ্রমের ফলই হয়তো২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে অবিশ্বাস্য ম্যাজিক দেখালেন তিনি। বিহারের মাত্র পাঁচটি আসনে প্রার্থী দিয়েই পাঁচটিতেই জয়, এককথায় ১০০ শতাংশ সাফল্য। এনডিএর ভরসা তিনি যে বিফল করেননি, তা এক লাফেই প্রমাণ হয়ে যায়। মোদি সরকারের ৩.০ মন্ত্রিসভায় জায়গা পান এই তরুণ নেতা।এরপর বিহার বিধানসভা নির্বাচনে আসন বণ্টনেও নিজের ক্ষমতার প্রমাণ দেন চিরাগ। জেডিইউ-বিজেপির ইগো লড়াই-এর মাঝেই নিজের দলের জন্য ২৯টি আসন কেটে আনেন তিনি। এমনকি শোনা যায়, দলের শক্তি বাড়াতে একসময় প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে হাত মেলানোর কথাও ভেবেছিলেন।শেষ পর্যন্ত এনডিএ চিরাগের ক্যারিশমাকেই অগ্রাধিকার দেয়। বরাদ্দ হয় ২৯টি আসন। তার মধ্যে ২২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে এলজেপি প্রার্থীরা। স্পষ্টবিহার রাজনীতিতে তেজস্বী যাদবদের জোরদার টক্কর দিতে উঠে আসছেন নতুন মুখ, রামবিলাস পাসওয়ানের উত্তরাধিকার আজ সুরক্ষিত, এবং সেই ঐতিহ্যের আলো হয়ে জ্বলছেন চিরাগ নিজেই।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

“হে বীর, ফলতায় এসো!” — অভিষেককে খোলা চ্যালেঞ্জ শমীকের, সংখ্যালঘুদের বার্তায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত

ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তেতে উঠছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পারদ। আগামী ২১ মে ভোটকে সামনে রেখে রবিবার ফলতার মাটিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এমন এক রাজনৈতিক বার্তা দিলেন, যা সরাসরি নিশানায় রাখল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-কে।মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ফলতায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। সেই উত্তাপ আরও বাড়িয়ে রবিবার শমীক ভট্টাচার্য কার্যত প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই অভিষেককে ফলতায় এসে প্রচারের আমন্ত্রণ জানালেন।কটাক্ষের সুরে শমীক বলেন,পুলিশ নেই, তাই নেতা নেই। কনভয় নেই, তাই হুঙ্কারও নেই। আমরা চাই, অভিষেকবাবু ফলতায় আসুন। আমাদের কর্মীরাই ফুল দিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানাবে।এরপরই নাটকীয় ভঙ্গিতে তিনি বলেন,হে বীর, তোমার আসন পূর্ণ করো। তোমাকে আমরা ভীষণ মিস করছি। তুমি এসো।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যে যেমন ব্যঙ্গ রয়েছে, তেমনই রয়েছে সরাসরি চ্যালেঞ্জও। কারণ, গত লোকসভা নির্বাচনে ফলতা কেন্দ্র থেকেই এক লক্ষেরও বেশি ভোটের লিড পেয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ফলের নেপথ্যের অন্যতম সংগঠক হিসেবেই পরিচিত তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। অথচ এবারের প্রচারে অভিষেকের অনুপস্থিতি নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি।শমীকের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর ধাক্কায় তৃণমূলের অন্দরেই নাকি এখন ভাঙনের সুর। তাঁর ভাষায়,সোনার টুকরো ভাইদের সোনার সংসার ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে। তাই আজ কেউ আর মাঠে নামছে না।তবে রাজনৈতিক আক্রমণের পাশাপাশি ফলতার মাটি থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তুলনামূলক নরম বার্তা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন,আপনাদের সঙ্গে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। এই দেশকে নিজের দেশ বলে ভাবুন। বিজেপি আপনাদের পাশে আছে।একই সঙ্গে তিনি সতর্কবার্তাও দেন, কিছু মানুষ বিভাজনের রাজনীতি করে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে চাইছে। তাদের পরিচয়ে নিজেদের পরিচিত করবেন না।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে বিজেপির এই বার্তা নিছক আবেগের আবেদন নয়, বরং ভবিষ্যতের বৃহত্তর নির্বাচনী কৌশলের অংশ।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অতীতে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও ফের তুলেছেন শমীক। তাঁর বক্তব্য,অনেক বাধা এসেছে, তবু বিজেপি কর্মীরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। আজ যারা বড় বড় কথা বলত, তারা ঘরের ভিতরে বসে শ্যাডো প্র্যাকটিস করছে।নাম না করেই অভিষেককে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য,যাঁরা একসময় ডিজে বাজানোর কথা বলতেন, তাঁরা এখন ঘরের ভিতরে হারমোনিয়াম বাজাচ্ছেন।ফলতার তৃণমূল নেতৃত্বকে প্রকাশ্যে সভা-মিছিল করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বলেন, বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও বাধা আসবে না। তবে একই সঙ্গে স্পষ্ট ঘোষণা করেনতৃণমূলের রাজ্যে ফেরার সম্ভাবনা নেই। গঙ্গার জল রাইটার্সের দোতলায় উঠতে পারে, আকাশ নবান্নে নেমে আসতে পারে, কিন্তু তৃণমূল আর ক্ষমতায় ফিরবে না।দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে পরিযায়ী শ্রমিকের জেলা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন শমীক। বিজেপি সরকার অদূর ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলেও দাবি করেন তিনি।ফলতার রাজনৈতিক লড়াই এখন কার্যত মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। একদিকে তৃণমূলের পুরনো সংগঠনশক্তি, অন্যদিকে বিজেপির আগ্রাসী প্রচারএই টানাপোড়েনের মাঝে শমীকের হে বীর, এসো ডাক রাজনৈতিক তরজাকে আরও কয়েকগুণ উসকে দিল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

মে ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে? ডার্বির আগে ট্রফি জয়ের হুঙ্কার ইস্টবেঙ্গল কোচের

দেশের সর্বোচ্চ লিগ জয়ের জন্য ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের অপেক্ষা দীর্ঘ ২২ বছরের। শেষবার ২০০৩-০৪ মরশুমে দেশের সেরা হয়েছিল লাল-হলুদ। তারপর আইলিগ থেকে দেশের প্রধান লিগ হয়ে যায় আইএসএল। কিন্তু এত বছরেও লিগ ট্রফি ঢোকেনি ইস্টবেঙ্গল তাবুতে। কয়েকবার সুযোগ এসেও হাতছাড়া হয়েছে সাফল্য। সেই দীর্ঘ হতাশা ও যন্ত্রণা খুব ভালভাবেই অনুভব করছেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ অস্কার ব্রুজো।ডার্বির আগে সাংবাদিক বৈঠকে আবেগঘন বার্তা দিলেন লাল-হলুদ কোচ। তিনি বলেন, একজন সমর্থকের কষ্ট তিনি বোঝেন। ক্লাবে তাঁর ভবিষ্যৎ কী হবে বা তিনি থাকবেন কি না, এই সব নিয়ে এখন ভাবছেন না। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য ইস্টবেঙ্গলকে আবার ট্রফি জেতানো।অস্কার ব্রুজো বলেন, দেড় বছর আগে যে জায়গায় ছিল ইস্টবেঙ্গল, এখন সেই পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। গত কয়েক বছরে দল কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়েছিল ফুটবলারদের মানসিকতার উপরেও। তবে এখন ধীরে ধীরে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং জয়ের মানসিকতা তৈরি হয়েছে।এর পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গলের প্রতি নিজের আবেগও লুকোননি ব্রুজো। তিনি স্পষ্ট বলেন, তিনি নিজেকে ইস্টবেঙ্গলের বড় সমর্থক বলেই মনে করেন। তাঁর কথায়, আমার ভেতরে লাল-হলুদ রংই রয়েছে। সমর্থকদের দুঃখ, হতাশা, যন্ত্রণা সবটাই বুঝি। গত কয়েক বছরে কী হয়েছে, তা আমি জানি। প্রায় দুদশক আমরা লিগ পাইনি। কিন্তু এখন আমরা খেতাব জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি।ডার্বির গুরুত্ব নিয়েও মুখ খুলেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তিনি বলেন, এই ম্যাচ দল এবং সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এভাবেই সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে চায় ইস্টবেঙ্গল।বর্তমানে আইএসএল লিগ তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। তেরো ম্যাচে তাদের পয়েন্ট তেইশ। যদিও ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের থেকে দুটি বেশি ম্যাচ খেলেছে তারা। এগারো ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের পয়েন্ট বাইশ। গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ, তৃতীয় স্থানে সবুজ-মেরুন। ফলে এই ডার্বি ম্যাচ লিগ জয়ের লড়াইয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যে দল জিতবে, তারাই ট্রফির দিকে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি? ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

ইরানকে নিয়ে আপাতত কিছুটা নরম অবস্থান নিয়েছে আমেরিকা। তবে সেই বিরতি যে সাময়িক, এমনই ইঙ্গিত মিলছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে। চিন সফর সেরে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প জানান, এই মুহূর্তে আমেরিকা ইরানের উপর হামলা চালাতে চায় না। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।ট্রাম্পের দাবি, হোয়াইট হাউস যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে মূলত পাকিস্তানের অনুরোধে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই যুদ্ধবিরতির পক্ষে ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।এদিকে আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, অপারেশন এপিক ফিউরি ২ নামে একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি কংগ্রেসের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি খারাপ হলে আরও বড় পদক্ষেপ নেওয়ার মতো সব পরিকল্পনাই তৈরি রয়েছে।তবে আপাতত কিছুটা সময় নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই পরবর্তী পদক্ষেপ করতে চায় তারা। যদিও আরব দুনিয়ার দুই শীর্ষ আধিকারিকের দাবি, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ইরানের উপর নতুন করে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই মার্কিন ও ইজরায়েলি বাহিনী যৌথভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলেও খবর।ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সরাসরি শান্তি আলোচনা না হলেও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের দাবি, ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তির কথা বললেও ভিতরে ভিতরে নতুন সামরিক অভিযানের ছক কষছে ওয়াশিংটন।সম্প্রতি তিন দিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পর ট্রাম্প জিনপিংকে অসাধারণ নেতা বলেও প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা যে বিপজ্জনক, সেই বিষয়ে আমেরিকা ও চিন একই মত পোষণ করছে।

মে ১৭, ২০২৬
বিদেশ

হাজার বছরের হারানো ঐতিহাসিক সম্পদ ফিরল ভারতে! নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য মোদীর

নেদারল্যান্ড সফরে বড় সাফল্য পেল ভারত। দীর্ঘদিন ধরে ডাচদের কাছে থাকা চোল যুগের প্রায় এক হাজার বছরের পুরনো তাম্রলিপি এবার ফিরছে ভারতের ঘরে। নেদারল্যান্ড সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাতেই সেই ঐতিহাসিক নিদর্শন তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহল।চোল যুগের এই তাম্রলিপিগুলি বহু বছর ধরে নেদারল্যান্ডসের লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত ছিল। ইউরোপে এগুলি লাইডেন প্লেটস নামেও পরিচিত। ভারতের তরফে ২০১২ সাল থেকেই এই ঐতিহাসিক সম্পদ ফেরত চাওয়া হচ্ছিল। অবশেষে সেই দাবি মেনে নেদারল্যান্ডস সরকার তাম্রলিপিগুলি ভারতের হাতে তুলে দিল।তাম্রলিপি ফিরে পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমাজমাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি ওই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ছবিও শেয়ার করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই তাম্রলিপি ফিরিয়ে আনা প্রত্যেক ভারতীয়ের জন্য গর্বের মুহূর্ত। অনুষ্ঠানে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনও উপস্থিত ছিলেন।জানা গিয়েছে, চোল যুগের এই তাম্রলিপিতে রয়েছে একুশটি বড় এবং তিনটি ছোট ফলক। বেশিরভাগ লেখাই তামিল ভাষায় খোদাই করা। সেখানে চোল সাম্রাজ্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং গৌরবের নানা তথ্য উল্লেখ রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এগুলি চোল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে মূল্যবান ঐতিহাসিক নথিগুলির মধ্যে অন্যতম।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নেদারল্যান্ডস সরকার এবং লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই তাম্রলিপিগুলি যত্ন করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, নেদারল্যান্ডসে পৌঁছেই প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন। একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, বর্তমান সময় বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত কঠিন এবং চ্যালেঞ্জপূর্ণ। সফরের সময় নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিক বিষয়ে বৈঠকও করেন মোদী। দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ঢুকছে বর্ষার বড় ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, ভিজবে একাধিক জেলা

আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করার পর থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই আগামী ২৬ মে কেরলে প্রবেশ করতে পারে বর্ষা। এরই মধ্যে মধ্যপ্রদেশ থেকে উত্তর বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়েই বিস্তৃত রয়েছে। এর জেরেই উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। আলিপুরদুয়ার জেলায় জারি করা হয়েছে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে এখনই ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই তাপমাত্রা বাড়বে বলে পূর্বাভাস। তবে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে স্থানীয়ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তার প্রভাবে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে।কলকাতাতেও গরম ও অস্বস্তি বজায় থাকবে। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে সাতাশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কোথাও কোথাও সামান্য হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও গরম থেকে এখনই স্বস্তির আশা নেই।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঝরাতে সরকারি হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যসচিবের! দেখে হতবাক চিকিৎসকরা

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের মাত্র বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন মোডে নামল স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার গভীর রাতে শহরের পাঁচটি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হঠাৎ করেই পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। এই আকস্মিক সফর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতালগুলিতে। স্বাস্থ্যদপ্তরের বার্তা স্পষ্ট, শুধু নির্দেশ নয়, এবার বাস্তবে কাজ দেখতে চায় নতুন সরকার।শনিবার রাত প্রায় বারোটার সময় নীল রঙের টি-শার্ট পরে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন স্বাস্থ্যসচিব। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অধ্যক্ষ মানসকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় এবং সহকারী সুপার দৈপায়ন বিশ্বাস। ট্রমা কেয়ার থেকে শুরু করে জেনারেল মেডিসিন ও সার্জারি বিভাগের একাধিক ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তা জানতে চান।পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কড়া নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি বলেন, কোথাও যেন ময়লা না থাকে। প্রতিটি ওয়ার্ডের বাথরুম নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ করারও নির্দেশ দেন তিনি।এরপর রাতেই নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ এবং এসএসকেএম হাসপাতালেও যান স্বাস্থ্যসচিব। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে অধ্যক্ষ ইন্দ্রনীল বিশ্বাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে যেসব রোগী বেড না পেয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত বেডের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।স্বাস্থ্যসচিব আরও নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালগুলিতে লাইভ বেড স্ক্রিনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। সেই স্ক্রিনে কোন হাসপাতালে কত বেড খালি রয়েছে, তা দেখা যাবে। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালের খালি বেডের তথ্যও সেখানে দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।হাসপাতালগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যসচিব। তিনি জানতে চান, রোগী ও তাঁদের পরিবারের জন্য দেওয়া জল আদৌ পানযোগ্য কি না। প্রতি মাসে সেই জলের মান পরীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভাকে প্রতি সপ্তাহে পানীয় জলের গুণমান পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।উল্লেখ্য, শুক্রবার এসএসকেএমের একাডেমিক ভবনে স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে দালালরাজ বন্ধ করা, রোগীদের রেফার কমানো এবং কাউকে যেন চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে না হয়, সেই বিষয়ে একাধিক কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই স্বাস্থ্যসচিবের এই রাতের পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

মে ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাঠে পড়ে ছিল স্তূপের পর স্তূপ ভোটার কার্ড! বীরভূমে চাঞ্চল্য, আটক বিএলও

বীরভূমের নানুরে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি মাঠ থেকে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, মাঠে স্তূপ করে পড়ে ছিল সেইসব কার্ড। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে কাজে যাওয়ার সময় কয়েকজন বাসিন্দার নজরে আসে মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ভোটার কার্ডগুলি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কীর্নাহার থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত কার্ড উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ সূত্রে খবর, যে মাঠ থেকে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার হয়েছে, তার পাশেই এক বিএলও-র বাড়ি রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বিএলও-কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের চিনিশপুর গ্রামের এক প্রাক্তন বিএলও বর্তমানে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়ায় থাকেন। তিনি বিএলও হিসেবে কাজ করার সময় পুরনো ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে নতুন কার্ড দিয়েছিলেন বাসিন্দাদের। নিয়ম অনুযায়ী পুরনো কার্ড নির্বাচন কমিশনের দফতরে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই কার্ড জমা না করে নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন তিনি।পুলিশের অনুমান, পরে সেই পুরনো ভোটার কার্ডই মাঠের ধারে ফেলে দেওয়া হয়। কেন তিনি এই কাজ করলেন এবং কেন কার্ডগুলি জমা দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এসআইআর নিয়ে যখন বীরভূমে নাম বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং বহু মানুষ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, ঠিক সেই সময় বিপুল ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার রাজীব, কুণাল, শোভনদেব! একে একে নিরাপত্তা সরাল সরকার

রাজ্যে সরকার বদলের পর এবার একের পর এক তৃণমূল নেতার নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা শুরু হল। প্রথমে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে পুলিশি নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজীব কুমার, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ-সহ আরও একাধিক নেতার নাম।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের অন্তত ১০ জন নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়ি থেকে হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। লালবাজারের তরফে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই তৃণমূল নেতাদের অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগে রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নিরাপত্তা পেতেন। তাঁর বাড়ির সামনে সবসময় মোতায়েন থাকত পুলিশ। কিন্তু নতুন সরকারের দাবি, তিনি একজন সাংসদ হিসেবে যতটা নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, এবার থেকে ঠিক ততটাই পাবেন। এর বেশি নয়। সেই বার্তাই আগেই দিয়েছিল লালবাজার।এবার রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার, সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বর্তমান বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়ি থেকেও হাউস গার্ড সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। পাশাপাশি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস এবং সুব্রত বক্সীর নামও রয়েছে এই তালিকায়।প্রশাসনের দাবি, তৃণমূল আমলে অনেক নেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি নিরাপত্তা পেতেন। এখন পদ ও দায়িত্ব অনুযায়ী নিরাপত্তা দেওয়া হবে। রাজীব কুমার ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। কুণাল ঘোষ বিধায়ক হিসেবে নিরাপত্তা পাবেন। অন্যদিকে অরূপ বিশ্বাস ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে মন্ত্রী নন। অরূপ বিশ্বাস ভোটেও পরাজিত হয়েছেন। সেই কারণেই তাঁদের নিরাপত্তায় কাটছাঁট করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।এছাড়াও ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি পীযূষ পাণ্ডের নিরাপত্তাতেও কাটছাঁট করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগে তিনি ভারপ্রাপ্ত ডিজিপির দায়িত্বে ছিলেন।

মে ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal